এস ই ও




 আর্টিকেল লেখার বিভিন্ন ধরণ

আর্টিকেল বা কন্টেন্ট লেখার সময় আমাদেরকে অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে আমাদের লেখাটি যেন তথ্য বহুল হয়। কারণ  লেখাতে  যদি পাঠকরা সঠিক তথ্য না পায়, তাহলে সেই লেখাটির প্রতি তারা আকৃষ্ট হবে না এবং যে উদ্দেশ্য নিয়ে আমরা লিখব, তা-ও ব্যর্থ হবে।  তাই সব সময়ই চেষ্টা করতে হবে  পাঠক যেন সঠিক ও পূর্ণাঙ্গ তথ্য পায় আমাদের লেখা থেকে। 


পাঠকের কাছে কোন একটি পণ্য বা প্রতিষ্ঠানের  তথ্য প্রকাশ করার বিভিন্ন পন্থা বা উপায় আছে, অর্থাৎ কোন একটি পণ্যকে আমরা নানাভাবে তুলে ধরতে পারি পাঠকের সামনে। লেখার মধ্যে বৈচিত্র্য আনার জন্যে বা লেখাটিকে আকর্ষনীয় করার জন্যে আমরা নিম্নোক্ত ধরণগুলো follow করতে পারি, যেমনঃ

১.Evolution Approach

সময়ের  পরিবর্তনের সাথে সাথে কোন প্রতিষ্ঠান বা পণ্য কিভাবে আরও সমৃদ্ধ হয়েছে, তা পাঠকের সামনে তুলে ধরা হয় এই ধরণের আর্টিকেলে।  
ঊদাহরণ স্বরূপ আমরা  ক্রিয়েটিভ আইটির কথা বলতে পারি। আজ থেকে  ৫ বছর আগে এটি কেবল গ্রাফিক্স, এনিমেশন আর ওয়েব ট্রেইনিং করাতো, কিন্তু সময়ের বিবর্তনের সাথে সাথে এখন ক্রিয়েটিভ আইটি এখন শুধু গ্রাফিক্স, এনিমেশন আর ওয়েব ট্রেইনিংএর মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, ট্রেইনিং শেষে কীভাবে কর্ম ক্ষেত্রে যোগ দেবে, কিভাবে ফ্রিলেন্সিং, আউটসোর্সিং করে তাদের ট্রেইনিংকে কাজে লাগাবে, সেটাও শিখিয়ে দিচ্ছে  ক্রিয়েটিভ আইটির।   

২।Perspective Approach

আর্টিকেল্টির বিষয় বস্তু হতে পারে কোন পণ্যের ভোক্তা বা তার ব্যাবহারকারীর  দৃষ্টিকোন থেকে লেখা, যিনি লাভবান হয়েছেন সেই পণ্য ব্যবহার করে। ঊদাহরণ স্বরূপ,
ক্রিয়েটিভ আইটির ট্রেইনিং কোন একজনের  জীবন কীভাবে  বদলে  দিয়েছে, তা পাঠকের কাছে তুলে ধরা হয় এই জাতীয় আর্টিকেল এর মাধ্যমে।

. Interview Approach  

 কোন পন্য, প্রতিষ্ঠান বা কোন বিষয়ের উপর ভিত্তি করে কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন রেডি করা হয়, তারপর সেগুলো বিভিন্ন ব্যাক্তিদের কাছে পাঠিয়ে উত্তর কালেক্ট করা হয়। সেই প্রশ্ন এবং উত্তর গুলোই আর্টিকেল এ তুলে ধরা হয় তাদের নাম করে সাক্ষাতকার পদ্ধতিতে।

৪. Review Approach

এই পদ্ধতিতে যে পণ্য বা বিষয় নিয়ে আর্টিকেল লেখা হবে, তা সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা তুলে ধরা রিভিউ লেখার সময় কিছু ব্যাপার লক্ষ্য রাখতে হয়,
লেখককে পণ্যের রিভিউ এমনভাবে লিখতে হবে, তা যেন আবশ্যই পাঠকরা বাস্তবে পায়, রিভিউতে যেন কোন রকম মিথ্যাচার না থাকে, সেদিকে খেয়াল রাখতে হয়।

রিভিউতে পণ্যের বর্ণনা খুব বেশি দীর্ঘ করলে, পাঠক বিরক্তবোধ করবে, তাই তা হতে হবে সংক্ষিপ্ত তবে অবশ্যই  তুলনামূলক।

Features Approach


যে পণ্যটি নিয়ে আর্টিকেল লেখা হয়, তার কী কী বৈশিষ্ট্য, কেন তা অন্য কোম্পানির পণ্য থেকে আলাদা, তার বিশদ বর্ণনাই এই পদ্ধতিতে করা হয়। যেমন স্যামসাং মোবাইল, এটির কী কী বৈশিষ্ট্য, কেন এটি এপেল এর আই ফোন থেকে আলাদা, তা এই পদ্ধদতিতে করা হয়।

৬।Benefits Approach 

কোন একটি পণ্য ব্যবহার করে গ্রাহক্রা কী কী সুবিধাভোগ করবে, তার বর্ণনা লেখার পদ্ধতিটিই হলো Benefits Approach
Benefits Approach বা উপকারিতা পদ্ধতিকে আবার দুই ভাগে চাগ করা যায়,

Personal benefits approach বা ব্যক্তিগত বেনিফিট পদ্ধতিঃ এই পদ্ধতিতে গ্রাহক নিজে ব্যক্তিগতভাবে কি কি সুবিধা পাবে, তার বর্ণনা দেয়া হয়।

Macro Benefits Approach বা সামগ্রিক বেনিফিট পদ্ধতিঃ কোন পণ্য কীভাবে কোন গোষ্ঠি বা ইন্ডাস্ট্রির সামগ্রিক সুবিধা অর্থাৎ সামাজিক, অর্থনৈতিক এবং পারিপার্শিক সুবিধা আদায়ে সক্ষম হবে, তার বর্ণনা করা হয় এই পদ্ধতিতে।

  Negatively Affected Approach 

কোন পণ্য ব্যাবহার না করার ফলে কি কি ক্ষতির সম্মুখিন হতে পারে গ্রাহক, সেটা খুব টেক্টফুল্লি বুঝিয়ে দেয়া হয় এই পদ্ধতিতে। যেমন স্যামসাং মোবাইল ব্যবহার না করে আপনি কি কি সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন, তা তুলে ধরা।

৮.Newbie Angle approach 

এমন কারো দৃষ্টিভঙ্গি/অভিজ্ঞতা থেকে লেখা, যে  প্রথমবার পণ্যে বা সেবাদাতার সেবা গ্রহণ করেছেন। তারা যে সুবিধাগুলো পেয়েছেন, তা তুলে ধরা হয় এই পদ্ধতিতে।

৯. Expert Approach

একজন অভিজ্ঞ বিশেষজ্ঞের অভিজ্ঞতা প্রকাশ করাই হলো এই পদ্ধতি। কোন বিষয়এ অভিজ্ঞ হওয়ার কারনে কী কী সুবিধা পাওয়া যাবে, তা উল্লেখ করা। কীভাবে একজন বিশেষজ্ঞ হওয়া যাবে, সে ব্যাপারে পরামর্শ দেয়া।

১০. শিক্ষামূলক পদ্ধতিঃ

কোন বিষয় পাঠকদের সামনে তুলে ধরা টিউটরিয়াল আকারে, যাতে করে পাঠক অই আর্টিকেল থেকে সেই বিষয়টি শিখতে পারে।



একটি আর্টিকেল লেখার টপিক ঠিক হলে, আমদেরকে ঠিক করতে হবে, আমার লেখার ধরণ্টি কেমন হবে, সেভাবেই আমাকে লেখাটি শুরু করতে হবে।




 

No comments:

Post a Comment